সব জাঁকজমকতার অপারে যখন আমি দাঁড়িয়ে, অপেক্ষায়, ভালো মুহুর্তের। পার্কের
লাল নীল বাতি গুলো যখন অইপারে লেকের ভিতর প্রতিচ্ছবি আকে, আমি তখন ওপার
ধরে হাটতে থাকি। ইচ্ছে করে লেকের উপর ঝাপ দিয়ে পৌছে যাই ওপারে। কিন্তু
ঝকমকে বাতিগুলো আমার জন্যে ছিলোনা কখনো। আমার জায়গা হয়তো অন্ধকারে, হতাশার
চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ নয়। অসীম হতাশার মধ্যে, যেখানে সামনেই ছড়িয়ে
ছিটিয়ে থাকা অনেক আলো, ঝকমকে বাতি, কিন্তু তুমি তা ধরার যোগ্য না। তুমি
শুধু দূর থেকে উপভোগ করতে পারো, দূর থেকে।
মাঝে মাঝে সবকিছু অপরিচিত লাগে। এই গাছ, সামনের গলিতে দাঁড়িয়ে ভাপা পিঠা বিক্রি করা ছেলেটা, সবি যেন অজানা অচেনা। কিছু ভালোলাগা ছাপিয়ে বাকি সব হতাশা। ভিতরটা তিলে তিলে ক্ষয় করে দেওয়া কোনো জোক।
তারপরোও মুখ হাসি করে রাখো। বেঞ্চির উপরে উঠতে থাকা কোনো জোক তোমার গায়ের মধ্যে সুড়সুড়ি দিয়ে যায় যেন।
মাঝে মাঝে মনে হয় রাস্তা পার হয়ে যাই কোনো দিকে না তাকিয়েই। কিন্তু গাড়ির হর্ণ গুলো তা দিয়েই দেয়না। অভারব্রীজটাও এতো উচু হাত দিয়ে ছোয়া যায়না। তাই অপেক্ষা করতেই হয় লাল বাতি জ্বলার। কিন্তু বাতিটা যে হলুদেও আসে না। ওপাশেই যে সুখ আছে। তা পাই কেমনে। মাঝে ভাবি, অন্ধের ভান ধরে দাঁড়িয়ে থাকি, কেউ নিশ্চয়......
জীবনটা নিষ্ঠুর।
মাঝে মাঝে সবকিছু অপরিচিত লাগে। এই গাছ, সামনের গলিতে দাঁড়িয়ে ভাপা পিঠা বিক্রি করা ছেলেটা, সবি যেন অজানা অচেনা। কিছু ভালোলাগা ছাপিয়ে বাকি সব হতাশা। ভিতরটা তিলে তিলে ক্ষয় করে দেওয়া কোনো জোক।
তারপরোও মুখ হাসি করে রাখো। বেঞ্চির উপরে উঠতে থাকা কোনো জোক তোমার গায়ের মধ্যে সুড়সুড়ি দিয়ে যায় যেন।
মাঝে মাঝে মনে হয় রাস্তা পার হয়ে যাই কোনো দিকে না তাকিয়েই। কিন্তু গাড়ির হর্ণ গুলো তা দিয়েই দেয়না। অভারব্রীজটাও এতো উচু হাত দিয়ে ছোয়া যায়না। তাই অপেক্ষা করতেই হয় লাল বাতি জ্বলার। কিন্তু বাতিটা যে হলুদেও আসে না। ওপাশেই যে সুখ আছে। তা পাই কেমনে। মাঝে ভাবি, অন্ধের ভান ধরে দাঁড়িয়ে থাকি, কেউ নিশ্চয়......
জীবনটা নিষ্ঠুর।
