প্রথমে মনে হল রাত হবে হয়তো। ফজরের আজানের পর দোয়া দুরুদ পড়া হয়, সে সময়টাই বোধহয়।
পরে দেখি হাল্কা কথা বার্তার আওয়াজ। আর কারেন্ট নাই। মোবাইলের ঘড়ির দিকে চোখ পড়ার পর দেখি ৭:২০ পিএম। খেয়াল হল, মনটা কেমন জানি বিষাদে ছেয়ে যাচ্ছে। কেন সেটা জানিনা। সন্ধ্যা বেলার এই খেয়াল আমাকে বিস্মিত করে। যতবারি মাগরিবের পর ঘুম ভাংছে ততবারি একি অবস্থার মুখোমুখি হইছি।
দূরে কোথাও আজান পরে। এশার আজান? হুম।
রিকশার ক্রিং ক্রি আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।আরোও দুএক জায়গায় আজান হচ্ছে। সাথে কোনো এক দোয়া মাহফিল। কেমন জানি রহস্যময় লাগতেছে সময়টাকে।
জানি কোনো রহস্যময়তা নেই, থাকলেই ভালো হতো। জীবন অতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তাই অস্বাভাবিকতার মুখোমুখি হই, তখন কুকরে যাই ব্যাথায়। বুকের মধ্যে একটা ব্যাথায়।
একটা গল্প আছে। একটা ছেলের গল্প। স্বাভাবিক একটা সরল গল্প। গল্পের ভিতরের সবকিছুই মনে আছে। তাও শুধু শেষের টুকুতেই যাই, ছেলেটি অস্বাভাবিকতা সহ্য করতে পারেনি। তার বুকের বাম পাশটা আর আগের মত নাই। হার্টের মধ্যে এখন অসংখ ক্ষতবিক্ষতের দাগ। সে দাগ যাচ্ছে না। আর সেই ছেলেটার কথা গুলো মনে পড়ে যায় এমনই বিষাদময়তায় ঘেরা সন্ধায়, কিংবা একা বসে ল্যাকচারে, কোনো এক একাকী মুহুর্তে কিংবা, পাশাপাশি বসে থেকে হঠাত....
আর সেই হঠাতেই ছেলেটি মরে যেতে চায়।