Sunday, 14 July 2019

Wednesday, 30 August 2017

A Suicide Story

প্রথম পর্বঃ অস্পষ্ট সবকিছু

বাহির থেকে বেশ ভালো ভাবেই দেখা যাচ্ছে সব। সচ্ছ কাচ ভেদ করে রিতুর চেহারা আরেকবার দেখলো। রিতুর পাশে তো তার এখন থাকার কথা। অথচ সেখানে আরেকজন লোক দাঁড়িয়ে। রিতুকে আংটি পড়িয়ে দিচ্ছে সে। রিতুর মলিন মুখটার দিকে তাকালো সে। তারপরেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল রিফাত।  পকেট থেকে রিভলবারটা বের করল। কমিউনিটি সেন্টারের কাচের দরজা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ঢুকল ভিতরে। গুলিটা তাক করল রজু নামের সেই কুলাঙ্গারের দিকে। আশে পাশের যত মানুষ বসে ছিল, থমকে গেল। পিনপতন নিরবতা। রিফাতের মুখে একরাশ ক্ষোভ। তাই সে দেখেও দেখল না ভয়ার্ত রজুর মুখ। খেয়াল করল রিতুর হাত ফসকে গ্লাসটা পড়ে গেল। আর সাথে সাথে ফায়ার। রজুর কপাল ভেদ করে চলে গেল গুলি।

ঝাকি খেয়ে হঠাৎ ধরফরিয়ে উঠল রিফাত। ঝাকিটা দিয়েছে সিস্টার । বয়স হয়ত ৩৫ বা ৪০। মুখে এখনি বার্ধক্যের ছাপ এসে পড়েছে।

- কি ব্যাপার? ট্যাবলেট টা হাতে নিয়ে বসে আছ কেন বাপু। খেতে হবেনা? প্রতিদিনই  এসব দেখাতে হবে ? কি ধ্যানে মগ্ন ছিলা আবারোও? কাকে কি জিজ্ঞেস করি।
রিফাত মুখ তুলে বলল, আমি কোথায়? আমি এখানে বসে আছি কেন? আমার গায়ে এই সাদা পোশাক কেন?

- প্রতিদিনই আমি এসব উত্তর দিতে পারব না বাপু। আগে দিসি। নিজেই বের করে নাও এখানে কেন।
- প্রতিদন মানে? কবে থেকে আমি এখানে?
- ১০ দিন হয়ে গেল। নার্স পানির গ্লাস হাতে দিতে দিতে বলতে লাগলো।
রিফাতের গলায় কথা আটকে গেল। তার মাথায় কিছুই ঢুকছে না। সে এখানে কেমন করে আসল? কোনো হিসাব মিলাতে পারতেছেনা, মাথা ভন ভন করতে শুরু করছে সে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করল। কিন্তু পায়ে তার কোনো শক্তি নাই! এটা সম্ভব না। সে কি স্বপ্ন দেখতেছে। পরে গেল সে। অজ্ঞান হয়ে।

রিফাত আবিস্কার নিজেকে স্ট্রেচারে। হাতে স্যালাইনের ইঞ্জেকশন। সে আবার কনফিউসড। তার এখানে থাকার কথা না। সে মনে করার চেষ্টা করলো তার শেষ কি মনে আছে।
রিতুর বিয়ে। রিজু নামের এক ছেলের সাথে। সেও দাওয়াত কার্ড পাইছে। রিফাত তাকাইয়া আছে বাহির থেকে ভিতরে। কাচ দিয়ে রিতুকে দেখা যাচ্ছিল। রিজু তাকে আংটি পড়িয়ে দিচ্ছে। তারপর...
তারপর কিছুই মনে নেই তার।  অদ্ভুত ব্যপার। তারপর কিছু হয়েছিল? মাথায় ব্যাথা পাইছিল কোন ভাবে। কেউ হয়তো তাকে হস্পিটালে এনে রেখে যায়।
তার মাথায় ভাবনা জমতে লাগলো। রিতুর কি তাহলে বিয়ে হয়েই গেছে। হয়ত এখন হানিমুনে? হয়তো। আমার কথা কি মনে আছে তার। এক্টুকুও? অথচ পুরো ব্যাপারটাই অন্যরকম হওয়ার কথা ছিল।
ভাবত ভাবতে তার খেয়াল হল, সে হাসপাতালের বেডে। কিভাবে সে এখানে এল? সে তো কিছুক্ষন আগেই রিতুর বিয়ের অনুষ্ঠানের সামনে ছিল।

Tuesday, 14 February 2017

এপারে অসহায় আমি!

 সব জাঁকজমকতার অপারে যখন আমি দাঁড়িয়ে,  অপেক্ষায়,  ভালো মুহুর্তের। পার্কের লাল নীল বাতি গুলো যখন অইপারে লেকের ভিতর প্রতিচ্ছবি আকে, আমি তখন ওপার ধরে হাটতে থাকি। ইচ্ছে করে লেকের উপর ঝাপ দিয়ে পৌছে যাই ওপারে। কিন্তু ঝকমকে বাতিগুলো আমার জন্যে ছিলোনা কখনো। আমার জায়গা হয়তো অন্ধকারে, হতাশার চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ নয়। অসীম হতাশার মধ্যে, যেখানে সামনেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেক আলো, ঝকমকে বাতি, কিন্তু তুমি তা ধরার যোগ্য না। তুমি শুধু দূর থেকে উপভোগ করতে পারো, দূর থেকে।
মাঝে মাঝে সবকিছু অপরিচিত লাগে। এই গাছ, সামনের গলিতে দাঁড়িয়ে ভাপা পিঠা বিক্রি করা ছেলেটা, সবি যেন অজানা অচেনা। কিছু ভালোলাগা ছাপিয়ে বাকি সব হতাশা। ভিতরটা তিলে তিলে ক্ষয় করে দেওয়া কোনো জোক।
তারপরোও মুখ হাসি করে রাখো। বেঞ্চির উপরে উঠতে থাকা কোনো জোক তোমার গায়ের মধ্যে সুড়সুড়ি দিয়ে যায় যেন।

মাঝে মাঝে মনে হয় রাস্তা পার হয়ে যাই কোনো দিকে না তাকিয়েই। কিন্তু গাড়ির হর্ণ গুলো তা দিয়েই দেয়না। অভারব্রীজটাও এতো উচু হাত দিয়ে ছোয়া যায়না। তাই অপেক্ষা করতেই হয় লাল বাতি জ্বলার। কিন্তু বাতিটা যে হলুদেও আসে না। ওপাশেই যে সুখ আছে। তা পাই কেমনে। মাঝে ভাবি, অন্ধের ভান ধরে দাঁড়িয়ে থাকি, কেউ নিশ্চয়......
জীবনটা নিষ্ঠুর।

বিষাদ

ঘুম থেকে উঠার পর, বুঝতে অনেক কস্টই হল, রাত? না সবে সন্ধ্যা?
প্রথমে মনে হল রাত হবে হয়তো।  ফজরের আজানের পর দোয়া দুরুদ পড়া হয়, সে সময়টাই বোধহয়।
পরে দেখি হাল্কা কথা বার্তার আওয়াজ। আর কারেন্ট নাই। মোবাইলের ঘড়ির দিকে চোখ পড়ার পর দেখি ৭:২০ পিএম। খেয়াল হল, মনটা কেমন জানি বিষাদে ছেয়ে যাচ্ছে। কেন সেটা জানিনা। সন্ধ্যা বেলার এই খেয়াল আমাকে বিস্মিত করে। যতবারি মাগরিবের পর ঘুম ভাংছে ততবারি একি অবস্থার মুখোমুখি হইছি।
দূরে কোথাও আজান পরে। এশার আজান? হুম।
রিকশার ক্রিং ক্রি আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।আরোও দুএক জায়গায় আজান হচ্ছে। সাথে কোনো এক দোয়া মাহফিল। কেমন জানি রহস্যময় লাগতেছে সময়টাকে।
জানি কোনো রহস্যময়তা নেই, থাকলেই ভালো হতো। জীবন অতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তাই অস্বাভাবিকতার মুখোমুখি হই, তখন কুকরে যাই ব্যাথায়। বুকের মধ্যে একটা ব্যাথায়।
একটা গল্প আছে। একটা ছেলের গল্প। স্বাভাবিক একটা সরল গল্প। গল্পের ভিতরের সবকিছুই মনে আছে। তাও শুধু শেষের টুকুতেই যাই, ছেলেটি অস্বাভাবিকতা সহ্য করতে পারেনি। তার বুকের বাম পাশটা আর আগের মত নাই। হার্টের মধ্যে এখন অসংখ ক্ষতবিক্ষতের দাগ। সে দাগ যাচ্ছে না। আর সেই ছেলেটার কথা গুলো মনে পড়ে যায় এমনই বিষাদময়তায় ঘেরা সন্ধায়, কিংবা একা বসে ল্যাকচারে, কোনো এক একাকী মুহুর্তে কিংবা, পাশাপাশি বসে থেকে হঠাত....
আর সেই হঠাতেই ছেলেটি মরে যেতে চায়।

Tuesday, 10 January 2017

Night is still young!

-This is it. When life throw you out, you can't do much.
- Well, you could fight back.
- with what?
- with something, anything. or with nothing at all. You have bare hand. Which thing you can't do with it?
- Yeah, fighting with bear hand, knock down some kid or something like that.
- It's a metaphore honey!
- I know what it is! For god sake, I am you.
- You are not me. I am totally different from you. I am clean atleast.
- And i though i am drunk.
- You ARE drunk.
- Oh you are boring.
- I know. But don't we go back to the previous topic?
- What topic?
- Why are you depressed so much?
- I told you about that?
- did you?
- Now you are playing with me?
- Why are you depressed?

-  There is so many thing, which one should i say?
- Easy one?
- I failed in the exam. All of my friend passed it.
- Which one hurt you most? you failed in exam? or Your friends passed it?
- I "failed" one.
- I don't think thats the one.
- Thats the one.
- OK, tell me about it.
- What are you now? Psychiatrist?
-  Why are you so dipressed about it?
- I failed thats why, damn it!
- Why "You Failed"?
- I thought, I will escape the test like before. Like high school.
- Your girlfriend thought she is the one who responsible.
- No, she is not.
- You are lying.
- Why should I?

Sunday, 24 May 2015

যে চিঠি কখনোও তোমার কাছে পৌছাবেনা

কেমন আছ? ভালো আছ নিশ্চয়ই।ভালো তো থাকারই কথা। তুমি না ভালো থাকলে আর কে ভালো থাকতে পারে? তোমার আশেপাশে অনেক মানুষ- যারা তোমার জন্য পাগল হয়ে থাকে।তোমার মন যদি কোনোদিন খারাপ থাকে, তারা সবাই আসবে মন ভালো করতে। তুমি পানিতে ডুব দিলে তারাও তোমার সাথে ডুব দেবে। একদিন আমিও তাদের দলে ছিলাম।একদিন আমিও তোমার কাছে ছুটে আসতাম, তোমার মন ভালো করার জন্য।
মনে আছে একদিন কি বলেছিলাম তোমাকে। বলেছিলাম, তুমি যদি চাঁদ হও আমি সূর্য হব তোমার আলোকে আরোও উজ্জ্বল করে দেব এই শরীর থেকে।
মনে কি পরে একদিন জ্যোৎস্না রাতে আমি তুমি হাত ধরাধরি করে হাটতেছিলাম। রাস্তায় অনেকেই ছিল, আমাদের দিকে তাকিয়েছিল। কেউ হিংসার চোখে, কেউ অবাক হয়ে-গর্বে যেন বুকটা ফুলে উঠেছিল সেদিন। সেদিন তোমার কি রকম লাগছিল জানিনা, তবে আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন পূর্ণিমার চাঁদ হাতে পেয়েছি- সেই চাঁদ যেন আকাশের ঐ চাঁদ থেকে আরোও উজ্জ্বল আরোও কমনীয়।

সেই রাতটি ছিল আমার জীবনের একটি আনন্দময় রাত। সেই রাতেই তো.......হ্যা সেই রাতেই তুমি আমাকে কথা দিয়েছিলে আমার সাথে তুমি সারাজীবন থাকবে। কোথাও তুমি যাবেনা আমাকে ছাড়া।
আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখ আজও পূর্ণিমা। সেই চাঁদটার দিকে তাকিয়ে দেখো। তোমার কী সেই প্রতিজ্ঞার কথা মনে পড়ে না?
মনে আছে কি আমার সামনেই এক ছেলে তোমাকে প্রোপোজ করে। তাকে আমি চিনতাম। এক ধনীর ছেলে সে। তবে একথা তোমাকে বলিনি। বরং তার নামে আমি দূর্নাম করেছিলাম। মনে হয়েছিল তুমি যদি তার প্রেমে পড়ে যাও। সেদিনি তোমার প্রতি একটা ঈর্ষা জন্মেছিল আমার মনে। তবে সেই সাথে তোমাকে আরোও আপন করে নিয়েছিলাম। তোমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম হৃদয়ের আরোও গহীনে।
আমি কিন্তু এমন ছেলে ছিলাম না-যে এতো তারাতারি কারোও প্রেমে পরে যায়।আমি তথাকথিত প্রেমিক ছেলে হিসেবে নিজেকে কখনোও ভাবতামনা। নিজেকে আলাদা মনে হতো। বন্ধুরা সব আমার জন্য গার্লফ্রেন্ড খোজায় ব্যাস্ত ছিল। অথচ তোমাকে প্রথম দিন দেখার আমার সব আলাদা মনোভাব কোথায় যেন উড়ে চলে গেল। জানি তুমি সেদিন আমাকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে বিরক্ত হয়েছিলে।

ছোট গল্পঃ একটি ভূতের গল্প!

একটা সিনেমা বানাবো, ভুতের সিনেমা। শুধু এটুকুই মাথায় আছে যে আমি একটি সিনেমা বানাবো। গল্প কোথায় পাব, স্ক্রিপ্ট কিভাবে লেখবো,তা আর মাথায় আসছে না।
সেলিম কে ফোন দিলাম। আজব! তার কোনো রিএকশনই নাই। বলে কি না,বানাবি তো বানা!
আরে ভাই গল্প তো পাওয়া লাগবে! শুধ বানা বললেই বানানো হয়ে গেল?
আজব এক সমস্যার মধ্যে পড়ে গেলাম। কিছু থেকেই ব্যাপারটি মাথা থেকে সরানো যাচ্ছে না।
রাতে ঘুমানোর সময় ভাবলাম, নাহ! সিনেমা বানানোর কোনো দরকার নেই ।
কিন্তু তারপরও সারারাত গল্প কি হবে তা নিয়ে ভাবতে থাকলাম। কোনোমতেই মাথা থেকে এটাকে সরাতে পারলাম না। শেষে চিন্তা করলাম, গল্প নিয়ে ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়ি। এই ফাকে যদি স্বপ্নেই কোনো আইডিয়া পেয়ে যাই!
মহাপুরুষরা তো স্বপ্নে অনেক কিছুর সন্ধান পায়। আমি মহা পুরুষ না হলেও পুরুষ তো!
রাত প্রায় ৩টার দিকে চোখে ঘুম আসলো।
হঠাৎ মনে হল আমি যেন আমার রুমে নেই। অন্য কোথাও! বুঝতে পারলাম, এটা আমাদের গ্রামের বাড়ির বেডরুম। আমার বয়স যেন ১০ বছর কমে গেছে। আমি শুয়ে আছি আমার মায়ের পাশে। মাকে বললাম, মা একটা ভুতের সিনেমা বানাবো। একটা গল্প বলোতো!
- চুপ ঘুমা! এতো রাত হয়ে গেছে, এখনোও ঘুমানোর নাম নেই।